Posts

Showing posts from February, 2024

হে অমর একুশে, তোমায় ভুলিনি, ভুলব না - মহম্মদ মফিজুল ইসলাম, ভাঙড়

হে অমর একুশে,  তোমায় ভুলিনি, ভুলব না  মহম্মদ মফিজুল ইসলাম  ------------------------------------- ভাঙড়, দক্ষিণ ২৪ পরগণা পশ্চিমবঙ্গ,ভারত  " আমার ভাইয়ের রক্তে  রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি  আমি কি ভুলিতে পারি ছেলে হারা শত মায়ের  অশ্রু ঝরা এ ফেব্রুয়ারি  আমি কি ভুলিতে পারি " না। ভুলতে পারি না। ভোলা যায় না। জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, বিরহ-মিলনের কত ঘটনাই না ঘটে চলেছে রোজ। ঘটে চলেছে স্মরণ- বিস্মরণের মালা গাঁথা। কালের শাশ্বত নিয়মে কিছু ঘটনা বিস্মৃতির আড়ালে চলে যায়। আবার এমন কিছু ঘটনা মনের মণিকোঠায় অক্ষয় স্থান করে নেয়  যেগুলো ভোলা যায় না।  একুশে ফেব্রুয়ারি সেই রকম একটি ঘটনা। সেই রকম একটি দিন। এই দিন কেবলমাত্র ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়। এই দিন বিশ্বের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন। মাতৃভাষাপ্রেমী সকলের কাছে এই দিন সংগ্রামের দিন। শপথের দিন। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই দিন  মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর দিন। মাতৃভাষার প্রতি ভালবাসা জানানোর দিন। এই দিন মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করার দিন। শিশু প্রথম কথা বলতে শেখে তার মা...

বাংলা আমার মাতৃভাষা- সফিকুল ইসলাম সরদার

বাংলা আমার মাতৃভাষা সফিকুল ইসলাম সরদার   আমার প্রাণের মাতৃভাষা আমার গর্ব বাংলা রে , সুখ দুঃখ সকল আবেগ এই ভাষাতে প্রকাশ রে।   প্রথম কথা এই ভাষাতেই মরণ যাত্রার শেষ কথাও দিনলিপিতে লেখালিখি আনন্দ আর মন ব্যথাও।   অমর একুশ ফেব্রুয়ারিতে শহীদ - রক্তে রাজার পথ , রাংলো আকাশ , রাংলো মাটি জয়ী মাতৃ - বাংলা রথ। বিপ্লব , মান ঊর্ধ্বে  তুলি ' সব মাতৃ - ভাষার জয় , যুগে যুগে ভুলবে না কেউ বর্নমালার রক্ত ক্ষয়।   আছে কি আর এমন ভাষা যার জয়েতে হয় লড়াই ? রক্ত ঢালা , শহীদ হওয়া - এমন কোনো নজির নাই।   এই ভাষা যে আমার বুলি প্রতিবাদের আওয়াজ তুলি , কায়িক শ্রমের ক্লান্তি ভুলি কষ্টে কাঁদি , হর্ষে দুলি।   অমর হয়েই থাকনা চির বাংলা , আমার বাংলা রে.. দুলোক - ভূলোক গিরি ও নদ সর্বত্রই ছড়াক রে...।    

একুশ শুধু বাঙালির নয়- সেখ কামারুল ইসলাম

একুশ শুধু বাঙালির নয় সেখ কামারুল ইসলাম আমার মগজের নতুন-পুরাতন প্রতিটি কোষের সব খাতার পাতাই ছাপা হয় বাংলায়। আমার মনের প্রতিটি আঙিনার ভাঁজে ভাঁজ প্রতিবিম্বিত হয় বাংলারই আয়নায়। আমার প্রতিটি সাড়হীন নিঃশ্বাস পড়ে ভরে ওঠে শ্বাসে বাংলার মুক্ত বাতাসে। আমার দেহের প্রতিটি অঙ্গের অবয়ব উজ্জ্বল হয়ে ওঠে বাংলারই আলোতে।   বাঙালির শহীদানে অমর একুশে অক্ষয় হয়েছে বিশ্ববিবেক খুলেছে মাতৃভাষার দ্বার। বিশ্বের দিকে দিকে যারাই দিচ্ছে লড়াই মায়ের মুখের ভাষায় চাইছে আপনার অধিকার , কিংবা বঞ্চিত হয়ে দখলদারের কাছে হতে চলেছে লীন একুশের আদর্শে দেখি তাদেরই স্বমহিমায় হতে আবারও আসীন।   আমার বাঙালি বিবেকের তাড়নায় আর মায়ের এইসব ভাষাভাষী সন্তান হয়ে যায় তাই আমারই ভাই।

একুশে ফেব্রুয়ারি- সেখ মইদুল আলি

একুশে ফেব্রুয়ারি সেখ মইদুল আলি একুশে ফেব্রুয়ারি অশ্রুসিক্ত ঘটনা বছর ফিরে করে স্মরণ , আব্দুল , সালাম , রফিকউদ্দিন , আহমেদ শহীদ , বলোনা মরণ। ভাষা শুধুমাত্র মানবের মত বিনিময়ের পথ নয় , সংস্কৃতি সামাজিক দায়বদ্ধতা সবকিছুই পুরণ রয়। মাতৃভাষার টানে , ভাষা বাঙালির অস্তিত্বের লড়াই , বিশ্বের দরবারে তাই মাথা তুলে করতে পারি বড়াই। শত বাঙালির বুকের তাজা রক্ত , দিয়ে রচিত ইতিহাস , ভাষা ছাড়া মানুষের সত্তা হয়নি , পরিপূর্ণ বিকাশ। একুশে শহীদেরা সকল বাঙালি জাতির গর্ব ,     অমর হে শহিদ! তোমাদের মান করতে দেব না খর্ব।

লোকসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট, পশ্চিমবঙ্গ

লোকসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট, পশ্চিমবঙ্গ, সফিকুল ইসলাম সরদার; আশু লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বেজে গেলো। পশ্চিমবঙ্গে এই নির্ঘণ্ট ২৭.০৩.২০২৪-এ শুরু হবে আর শেষ হবে ২৯.০৪.২০২৪-এ। সারা রমজান মাস জুড়ে চলবে দেশের লোকসভা নির্বাচন। বিশেষ করে ১০.০৪.২০২৪ তারিখ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ইদের আগের দিন অর্থাৎ চাঁদরাত। ভাবা যায় ওই দিন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভোট কর্মীরা রোযা ব্রতের কৃচ্ছ সাধনের সাথে সাথে ভোটের ডিউটি করবেন! অথচ এই ভারতবর্ষের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায় হল মুসলিম এবং তাদের সবচেয়ে বড় উৎসব রমযান মাসের রোযা পালনের পর ঈদুল ফিতর। ভোট কর্মীদের কথা মাথায় না রেখে নির্দ্বিধায় বারেবারে এই ধরনের ভোট গ্রহনের দিনক্ষণ রাখে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন! এর আগেও অনেক বার রোযা করে তারা ভোটের ডিউটি করতে হয়েছে। তাই বলে ইদের আগের দিন ভোট - এটা কি অমানবিক নয়! একান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু ভোটকর্মীই। তারা বলেছেন, এই নির্বাচনী নির্ঘন্টের কিছু রদবদল করা হোক । বিশেষ করে ইদের আগের দিনটা।

২৪-এর ড্রাগন বর্ষে শক্তিশালী নেতৃত্বের খোঁজে উদ্যমী চীনা বাবা-মায়েরা

২৪-এর ড্রাগন বর্ষে শক্তিশালী নেতৃত্বের খোঁজে উদ্যমী চীনা বাবা-মায়েরা উনিডে; চীনা জ্যোতিষবিদ্যা ও রাশিচর্চা অনুযায়ী এ বছর ২০২৪ সালটি হল ড্রাগণ বর্ষ। সুতরাং এই বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অধ্যুষিত চীন ছাড়াও হংকং, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, ব্রনেই, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে এ বছর সন্তান ধারনের ধূম পড়েছে। জ্যোতিষীরা জানিয়েছেন, এটা বিশ্বাস করা হয় যে ড্রাগন শক্তিশালী এবং মহান নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই বহু মানুষ এ বছর ড্রাগন বাচ্চা পেতে চাইছেন। এইসব অঞ্চলে ড্রাগনকে বিশেষভাবে শুভ হিসেবে দেখা হয়। চীনা লোককাহিনীতে ড্রাগন জ্ঞানী এবং ক্যারিশম্যাটিক হিসাবে পরিচিত। এই বছরটি আরও একটি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি সেই বছর যখন পৃথিবী জুয়ান কং ফ্লাইং স্টারের অষ্টম পিরিয়ড থেকে নবম পিরিয়ড পর্যন্ত একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে। বিশ্বাস মোতাবেক, নয়টি জুয়ান কং উড়ন্ত তারা রয়েছে যা বিশ্বের ফেং শুইকে প্রভাবিত করে। ফলে এ বছরের ড্রাগন বাচ্চার আধিক্যে পরবর্তীতে স্কুল কলেজে কম্পিটিশন আরও বাড়বে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন। চীনে এখনও একসন্তান নীতি বলবৎ থাকলেও বাবা-মা রা ড্রাগন বাচ্চার জন্য দৌড...

ভারতের দীর্ঘ কৃষক সমস্যার মাঝেই ইউরোপীয় কৃষি সংকট

ভারতের দীর্ঘ কৃষক সমস্যার মাঝেই ইউরোপীয় কৃষি সংকট; উনিডে; জানুয়ারীতে ইউরোপ বেশ কিছু কৃষক বিদ্রোহ দেখেছে। জানুয়ারীতেই ঘটেছে ফ্রান্সে, ইউরোপের একটা গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদন দেশ। প্যারিসের কাছে হাইওয়ের উপর ট্রাক দাঁড় করিয়ে, সার ফেলে দিয়ে, সরকারি ভবনের সামনে কাঁচা শস্য জমা করে পচতে দিয়ে, এমনকি টুলুজ বিমানবন্দরের প্রবেশপথে খড়ের গাদায় আগুন জ্বালিয়েও তারা প্রতিবাদ সমাবেশ করে। শুরুটা ফান্সে হলেও তার রেশ ছড়িয়ে পড়েছে জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলিতে। কৃষিখাতে ব্যপক অবনতি কৃষকদের জর্জরিত করেছে। কৃষিপণ্যের অতিরিক্ত কম মূল্য, ভর্তুকি তুলে নেওয়া বা কমিয়ে দেওয়া সহ একাধিক কারণে কৃষকদের মধ্যে ঋণ ও আত্মহত্যার ঘটনাও বাড়ছে। চলমান অস্থিরতা ইউরোপের সমস্ত প্রধান অর্থনীতিতে মন্দার সাথে একত্রিত হয়েছে যা একটি মেগা সংকটের ভিত্তি তৈরি করেছে।

দেশে অনাথ শিশুদের অপ্রতুল লালন- পালন ব্যবস্থা

দ েশে আনাথ শিশুদের অপ্রতুল লালন- পালন ব্যবস্থা, উনিডে; বিশ্বব্যাপী ১৪ কোটির বেশি শিশু পিতা-মাতার কোন এক জন অথবা উভয়কেই হারিয়েছে বলে জানা যায়। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অনাথ এবং দুর্দশাগ্রস্থ শিশু রয়েছে। ইউনিসেফের বিশ্ব চিলড্রেন রিপোর্ট, ২০১৬ অনুসারে ভারতে প্রায় তিন কোটি অনাথ শিশু রয়েছে। গত ডিসেম্বরে কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের রাজ্যসভায় দেওয়া তথ্য অনুসারে, দেশের সরকারি-বেসরকারি সব ব্যবস্থা মিলিয়ে মাত্র ১.২০ লক্ষ শিশু সহায়তা পেয়েছে। আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২০২২-২৩ বর্ষে ৬২২০ জন শিশু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ও ১৬৭০ জন শিশু অ-প্রতিষ্ঠানিকভাবে বাৎসল্য যোজনায় সহায়তা পেয়েছে। সব মিলিয়ে যা মোট দুর্দশাগ্রস্থ শিশু সংখ্যার তুলনায় নগন্য। প্রয়োজন এবং প্রতিকারের এই বিস্তর তফাৎ দেশের দুর্দশাগ্রস্থ এধরনের শিশুদের তীব্র দুরাবস্থাকে সূচিত করে। একটি পরিবর্ত ব্যবস্থা ছিল এইধরনের শিশুদের উপযুক্ত অন্য পরিবারে পরিপোষন। কিন্তু গ্রাম-পর্যায়ের শিশু সুরক্ষা কমিটিগুলির অকার্যকরিতা, সচেতনতার অভাব, কর্মীর অভাব, যোগ্য পালক পরিবারের আগ্রহ না থাকা, উদাসীনতাসহ ...